প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আধার পাহাড়ি জেলা বান্দরবান। এখানকার সবুজ পাহাড়, ঝিরি-ঝর্ণা আর সংরক্ষিত বনাঞ্চল রক্ষায় এবার কঠোর ও ইতিবাচক ভূমিকা নিয়ে মাঠে নেমেছেন বান্দরবান সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা কাজী মো. সাইফুল ইসলাম। যোগদানের পর থেকেই অবৈধ কাঠ পাচার রোধ, পাহাড়ি বনের সুরক্ষা এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে তার গতিশীল কার্যক্রমে স্থানীয় সচেতন মহলে প্রশংসিত হয়েছেন তিনি।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলগুলোতে অতীতে কিছু অসাধু চক্র গাছ কাটার চেষ্টা চালালেও বর্তমান রেঞ্জ কর্মকর্তা সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে বন বিভাগ নিয়মিত টহল জোরদার করেছে। বনের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে তিনি মাঠপর্যায়ের কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে দুর্গম পাহাড়ি পথ ও ঝিরিগুলোতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছেন।
স্থানীয় পরিবেশবাদী ও সচেতন নাগরিকরা বলছেন, বন বিভাগের এমন সক্রিয় ভূমিকার কারণে পাহাড়ি বনাঞ্চল ধ্বংসের অপচেষ্টা অনেকটাই কমে এসেছে। বিশেষ করে সংরক্ষিত বনের কাঠ পাচার রোধে কড়াকড়ি আরোপ করায় বনের প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষা পাচ্ছে।
এ বিষয়ে সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা কাজী মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, “পাহাড়ের সবুজ প্রকৃতি ও বনাঞ্চল রক্ষা করা আমাদের নৈতিক ও পেশাগত দায়িত্ব। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী বান্দরবানের জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং অবৈধভাবে বন ধ্বংসের যেকোনো অপচেষ্টার বিরুদ্ধে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছি। বনের সুরক্ষায় স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা আমাদের কাজের গতি আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।”
বন বিভাগের এমন ইতিবাচক পদক্ষেপে বান্দরবানের পরিবেশ ও প্রকৃতিপ্রেমীরা আশাবাদী হয়ে উঠেছেন। তারা মনে করেন, এ ধরনের নিয়মিত তদারকি ও কঠোর পদক্ষেপ অব্যাহত থাকলে বান্দরবানের ঐতিহ্যবাহী বনভূমি ও বন্যপ্রাণী দীর্ঘমেয়াদে সুরক্ষিত থাকবে।
