কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগে নতুন বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (DFO) হিসেবে যোগদান করেছেন অভিজ্ঞ ও কর্মঠ বন কর্মকর্তা কাজী তারিকুর রহমান। তাঁর এই যোগদানকে জেলার পরিবেশপ্রেমী, স্থানীয় প্রশাসন এবং বন বিভাগের সংশ্লিষ্ট মহলে অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
যোগদানের পর থেকেই তিনি বন বিভাগের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও জনবান্ধব করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন। তাঁর এই নতুন দায়িত্বে কক্সবাজারের জীববৈচিত্র্য রক্ষা, পাহাড় কাটা রোধ, এবং বনভূমি বেদখলমুক্ত করার কার্যক্রমে নতুন গতি আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদী।
প্রধান অগ্রাধিকার ও পরিকল্পনা:
দায়িত্ব গ্রহণের পর এক প্রতিক্রিয়ায় কাজী তারিকুর রহমান জানান, কক্সবাজারের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, বন্যপ্রাণীর নিরাপদ আবাসস্থল এবং সংরক্ষিত বনাঞ্চল রক্ষা করা তাঁর অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। দায়িত্ব পালনকালে তিনি নিম্নোক্ত বিষয়গুলোতে বিশেষ নজর দেবেন বলে জানিয়েছেন:
অবৈধ দখল উচ্ছেদ: বনভূমির যেকোনো ধরনের অবৈধ দখল ও পাহাড় নিধন রোধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ।
বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ: বিশেষ করে এশিয়ান হাটের করিডোর সুরক্ষা এবং মানব-হাতি সংঘাত হ্রাসে স্থানীয় জনগণের সাথে যৌথ অংশীদারিত্ব বৃদ্ধি।
সামাজিক বনায়ন ও জনসচেতনতা: স্থানীয় জনসাধারণের সম্পৃক্ততার মাধ্যমে উপকূলীয় ও পাহাড়ি অঞ্চলে বনায়ন কার্যক্রম জোরদার করা।
দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন: বন অফিসে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ যেন কোনো প্রকার হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।
স্থানীয় মহলে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া:
পরিবেশবাদী সংগঠন ও স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, কাজী তারিকুর রহমানের মতো একজন দক্ষ ও সৎ কর্মকর্তার নেতৃত্বে কক্সবাজারের দক্ষিণ বন বিভাগের দীর্ঘদিনের চ্যালেঞ্জগুলো সফলভাবে মোকাবিলা করা সম্ভব হবে। তাঁর পেশাদারিত্ব এবং পরিবেশ রক্ষার দৃঢ় প্রত্যয় কক্সবাজারের প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষায় একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে।
