আলমডাঙ্গায় অনুমোদনহীনভাবে পরিবহনের সময় জব্দ করা ৪০ বস্তা ডিএপি সার সরকার নির্ধারিত মূল্যে প্রকৃত কৃষকদের মাঝে বিক্রি করেছে উপজেলা কৃষি অফিস।
(শনিবার), সকাল ৯টা থেকে উপজেলা কৃষি অফিসের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত সার বিক্রয় কার্যক্রম শুরু হয়।
এতে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের নির্বাচিত কৃষকদের কাছে প্রতি বস্তা ১ হাজার ৫০ টাকা দরে ৪০ জন কৃষকের মাঝে সার সরবরাহ করা হয়। জব্দকৃত সার সাধারণ কৃষকের কাছে পৌঁছে দেওয়ায় স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে , জব্দকৃত সার বিক্রির মাধ্যমে আদায় হওয়া সমুদয় অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে। কৃষকদের তালিকা প্রণয়নে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের কৃষি উপসহকারী কর্মকর্তাদের মাধ্যমে কৃষকদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়। পরে যাচাই-বাছাই শেষে তালিকাভুক্ত কৃষকদের কাছে সার বিক্রি করা হয়েছে বলে জানান কর্তৃপক্ষ।
এর আগে , গত বৃহস্পতিবার দুপুরে আলমডাঙ্গা উপজেলার হারদী-মিরপুর সড়কে কৃষি অফিসের উদ্যোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। অভিযানে ৪০ বস্তা (বিসিআইসির) ডিএপি সার জব্দ করা হয়। একই সময় হারদী বাজারের মেসার্স বিশ্বাস ট্রেডার্সের মালিক মো. সুমন আলীকে সার ব্যবস্থাপনা আইন (সংশোধন), ২০১৮ লঙ্ঘনের দায়ে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। অভিযোগ রয়েছে , তিনি প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই ডিএপি সার পরিবহন ও বাজারজাত করছিলেন।
আলমডাঙ্গা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাসুদ হোসেন পলাশ বলেন , কৃষকদের স্বার্থ সুরক্ষা ও সারের ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিত করতে জব্দকৃত সার সরকার নির্ধারিত মূল্যে প্রকৃত কৃষকদের কাছে বিক্রি করা হয়েছে। পুরো প্রক্রিয়া কৃষি অফিস এর তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন হয়েছে।
তিনি আরও বলেন , কৃষি উপকরণের অবৈধ মজুত , পরিবহন ও বাজারজাতকরণ রোধে উপজেলা কৃষি অফিস যৌথভাবে নিয়মিত নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত রাখবে।
কৃষকদের তালিকা প্রণয়নে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের কৃষি উপসহকারী কর্মকর্তাদের সুপারিশ ও মাঠপর্যায়ের যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
