সিলেট বন বিভাগে যোগদানের পর থেকেই বনজ সম্পদ রক্ষা, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ এবং সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় বন সেবাকে পৌঁছে দিতে এক যুগান্তকারী ও প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করে চলেছেন বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (DFO) মোহাম্মদ আবদুর রহমান। তাঁর গতিশীল নেতৃত্ব, প্রশাসনিক দৃঢ়তা এবং আধুনিক ও জনবান্ধব ব্যবস্থাপনার ফলে সিলেট অঞ্চলের বন বিভাগে এক ইতিবাচক ও সুদূরপ্রসারী পরিবর্তন এসেছে।
অবৈধ দখলদার ও অপরাধের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি:
যোগদানের পর থেকেই মোহাম্মদ আবদুর রহমান বনের জমি দখলমুক্ত করা এবং কাঠ ও বন্যপ্রাণী পাচার রোধে অত্যন্ত কঠোর ও আপসহীন অবস্থান গ্রহণ করেছেন। তাঁর সময়োপযোগী ও সুপরিকল্পিত অভিযানে বন বিভাগের মূল্যবান জমি বেদখল রোধের পাশাপাশি সংঘবদ্ধ অপরাধ চক্রের তৎপরতা অনেকাংশে প্রতিহত হয়েছে। বনের সুরক্ষায় তাঁর এই দৃঢ় মানসিকতা ও আইনানুগ পদক্ষেপ বন বিভাগের পেশাদারিত্বকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
বনায়ন ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে দূরদর্শী উদ্যোগ:
শুধু প্রশাসনিক কঠোরতাই নয়, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং সিলেট অঞ্চলের সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে তিনি নানামুখী দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে চলেছেন। সামাজিক বনায়ন সম্প্রসারণ, নতুন চারা রোপণ এবং প্রাকৃতিক বুনো পরিবেশ পুনরুদ্ধারে তাঁর নিরলস প্রচেষ্টা স্থানীয় পরিবেশবাদী মহল ও সচেতন নাগরিকদের মাঝে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।
সেবামুখী ও জনবান্ধব প্রশাসন:
মোহাম্মদ আবদুর রহমান তাঁর দাপ্তরিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও জনবান্ধব সংস্কৃতি নিশ্চিত করেছেন। বন বিভাগের সাথে সাধারণ মানুষ ও স্থানীয় অংশীজনদের দূরত্ব ঘুচিয়ে তিনি একটি সহযোগিতাপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করেছেন। তাঁর নির্দেশনায় মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাজের গতিশীলতা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং সেবাগ্রহীতারা খুব সহজেই মানসম্মত সেবা পাচ্ছেন।
পরিবেশ ও প্রকৃতি রক্ষায় মোহাম্মদ আবদুর রহমানের এই নিবেদিতপ্রাণ কর্মপ্রয়াস এবং দায়িত্বশীল ভূমিকা সিলেটের সবুজ প্রকৃতিকে আরও সমৃদ্ধ ও নিরাপদ করে তুলছে। তাঁর এই বিচক্ষণ ও প্রগতিশীল নেতৃত্বে সিলেট বন বিভাগ আগামীর দিনে একটি মডেল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেবে বলে আশা প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্টরা।
