ঢাকাবৃহস্পতিবার , 29 অক্টোবর 2026
  1. # লিড নিউজ
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. খুলনা বিভাগ
  8. খেলাধুলা
  9. গণমাধ্যম
  10. চট্টগ্রাম বিভাগ
  11. জাতীয়
  12. ঢাকা
  13. তথ্যপ্রযুক্তি
  14. দেশজুড়ে
  15. ধর্ম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

চুয়াডাঙ্গা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে প্রশ্ন ফাঁস ও জালিয়াতি: অফিস সহায়ক আটক

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি:
অক্টোবর 29, 2026 8:59 অপরাহ্ন
Link Copied!

21

চুয়াডাঙ্গা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে এসএসসি নির্বাচনী পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ তদন্ত করতে গিয়ে নিয়োগ, ভর্তি ও শিফট পরিবর্তনসহ বহুমুখী জালিয়াতির চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে বিদ্যালয়ের অফিস সহায়ক শাহজামালকে গ্রেপ্তার করে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
​জানা যায়, গত ২৬ অক্টোবর বিদ্যালয়ের প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনা খতিয়ে দেখতে জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসককে (শিক্ষা ও আইসিটি) প্রধান করে গঠিত এই কমিটিতে সার্বিক বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
​জব্দ করা কম্পিউটারে মিলল জালিয়াতির পাহাড়:
তদন্তের অংশ হিসেবে অভিযুক্ত শাহজামালের ব্যক্তিগত কম্পিউটার জব্দ করে পরীক্ষা করা হয়। অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে এক লোমহর্ষক চিত্র। প্রশ্ন ফাঁসের পাশাপাশি তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষকদের স্বাক্ষর জাল করে মাস্টার রোলে লোক নিয়োগ দিয়ে আসছিলেন। আশ্চর্যের বিষয় হলো, অফিস সহায়ক পদে কর্মরত থাকা সত্ত্বেও তিনি জালিয়াতির মাধ্যমে কম্পিউটার অপারেটরের স্কেলে বেতন তুলতেন।
​শুধু নিয়োগ জালিয়াতিই নয়; জব্দ করা কম্পিউটারে শিক্ষার্থীদের ভর্তি ও শিফট পরিবর্তনসংক্রান্ত বিভিন্ন গোপন নথি ও তথ্য মিলেছে। এর পেছনে কোনো বড় ধরনের অর্থ লেনদেন বা ভর্তি-বাণিজ্য জড়িত রয়েছে কি না, তা গভীরভাবে খতিয়ে দেখছে প্রশাসন।
​অভিযুক্ত আটক ও মামলার প্রস্তুতি:
অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে গত ২৮ অক্টোবর রাত ১১টায় আকস্মিক বিদ্যালয়ে যান তদন্ত কমিটির প্রধান ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এ বি এম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী। সেখানে প্রয়োজনীয় নথিপত্র পর্যালোচনার পর রাতেই শাহজামালকে আটক করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আজ (২৯ অক্টোবর) সকালে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শেখ রেজাউল করিম বাদী হয়ে মামলা দায়েরের সিদ্ধান্ত নেন।
​এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এ বি এম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী জানান, অভিযুক্ত শাহজামালের বিরুদ্ধে জালিয়াতির নানাবিধ প্রমাণ ও তথ্য পাওয়া গেছে। চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেলে এ বিষয়ে বিস্তারিত আরও জানা সম্ভব হবে।
​একটি সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়া এবং দীর্ঘমেয়াদি এমন প্রশাসনিক অনিয়মের ঘটনায় চুয়াডাঙ্গার সচেতন মহল ও শিক্ষা অঙ্গনে তীব্র উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।