সীমান্তে পুশ-ইন ও মাদক অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে শ্রীমঙ্গলে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় অনুপ্রবেশ এবং ভারতীয় সীমান্তরক্ষা বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক পুশ-ইন প্রতিরোধে স্থানীয় জনগণকে সচেতন করতে এক মতবিনিময় ও সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (২৮ জুন) বিকেলে উপজেলার সীমান্তবর্তী সিন্দুরখান ইউনিয়নের জুলেখানগর চা-বাগানের নাটমন্দিরে এ সভার আয়োজন করা হয়। সিন্দুরখান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইয়াছিন আরাফাত রবিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিয়াউর রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, শ্রীমঙ্গল থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. আব্দুর রাজ্জাক, জুলেখানগর বিওপির কমান্ডার নায়েব সুবেদার মো. আমজাদ হোসেন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আনোয়ারুল ইসলাম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্লাবন পাল, জুলেখানগর চা-বাগানের ব্যবস্থাপক মো. শাহজাহান,...
29
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় অনুপ্রবেশ এবং ভারতীয় সীমান্তরক্ষা বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক পুশ-ইন প্রতিরোধে স্থানীয় জনগণকে সচেতন করতে এক মতবিনিময় ও সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (২৮ জুন) বিকেলে উপজেলার সীমান্তবর্তী সিন্দুরখান ইউনিয়নের জুলেখানগর চা-বাগানের নাটমন্দিরে এ সভার আয়োজন করা হয়।
সিন্দুরখান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইয়াছিন আরাফাত রবিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিয়াউর রহমান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, শ্রীমঙ্গল থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. আব্দুর রাজ্জাক, জুলেখানগর বিওপির কমান্ডার নায়েব সুবেদার মো. আমজাদ হোসেন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আনোয়ারুল ইসলাম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্লাবন পাল, জুলেখানগর চা-বাগানের ব্যবস্থাপক মো. শাহজাহান, সিন্দুরখান ইউনিয়ন পরিষদের ওয়ার্ড সদস্য মো. শাহজাহানসহ বাগান পঞ্চায়েতের নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং চা-বাগানের শ্রমিকসহ স্থানীয় বাসিন্দারা।
সভায় বক্তারা সীমান্ত এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশ, পুশ-ইন এবং মাদকদ্রব্যের অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে স্থানীয় জনগণকে আরও সতর্ক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। পাশাপাশি যেকোনো ধরনের সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে দ্রুত অবহিত করতে অনুরোধ করা হয়।
বক্তারা বলেন, সীমান্ত সুরক্ষা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং স্থানীয় জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টা অপরিহার্য। জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে পুশ-ইন ও মাদক অনুপ্রবেশ কার্যকরভাবে প্রতিরোধ করা সম্ভব।
সভায় সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
