বন, বন্যপ্রাণী, জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ সংরক্ষণ এবং বননির্ভরশীল জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন আজ সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি। আধুনিক প্রযুক্তি, সৃজনশীলতা ও জনগণের অংশগ্রহণে টেকসই বন ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বন ও বন্যপ্রাণী রক্ষা, বনের আচ্ছাদন বৃদ্ধি, প্রতিবেশগত সেবার মান উন্নয়ন এবং দারিদ্র্য বিমোচন—এটাই বন বিভাগের মূল মিশন ও ভিশন।
এই ভিশনকে হাজারো প্রতিকূলতার মাঝেও নিজের কর্মদক্ষতা, সততা ও দূরদর্শিতার মাধ্যমে বাস্তবায়ন করে চলেছেন সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগ, বাগেরহাটের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী। তিনি এই বিভাগে যোগদানের পর থেকেই বদলে গেছে পুরো জনপদের দৃশ্যপট। নিজের ভেতর ধারণ করা প্রকৃত দেশপ্রেমকে উজাড় করে দিয়ে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে। তার এই কর্মতৎপরতা প্রমাণ করে, দেশের প্রতি প্রকৃত ভালোবাসা থাকলে যেকোনো কঠিন চ্যালেঞ্জেও সফল হওয়া সম্ভব।
সংরক্ষিত বনাঞ্চল রক্ষা ও পাচার রোধে কঠোর অবস্থান
সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের সংরক্ষিত বনাঞ্চল রক্ষা, নতুন বনায়ন সৃষ্টি এবং অবৈধ বৃক্ষ পাচার রোধে এই বিভাগের প্রতিটি রেঞ্জ ও কার্যালয় ডিএফও মো. রেজাউল করিম চৌধুরীর সরাসরি দিকনির্দেশনায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, তিনি যোগদানের পর থেকে বন উজাড় ও গাছ পাচার রোধে অত্যন্ত সাহসী ও আপসহীন ভূমিকা পালন করছেন। ফলে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা অবৈধ বৃক্ষ পাচার কার্যক্রম প্রায় সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। বাগেরহাটবাসীর মতে, এমন একজন যোগ্য, দক্ষ ও বিচক্ষণ অফিসার পাওয়া তাদের জন্য সত্যিই গৌরবের বিষয়।
সততা ও কর্মনিষ্ঠার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত
অনুসন্ধানে আরও উঠে এসেছে, মো. রেজাউল করিম চৌধুরী তার কর্মজীবনের শুরু থেকেই যেখানেই দায়িত্ব পালন করেছেন, সেখানেই বনজ সম্পদ সংরক্ষণ, বনায়ন কার্যক্রম জোরদারকরণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় সততা, স্বচ্ছতা ও দৃঢ়তার স্বাক্ষর রেখেছেন। দেশের বন ও পরিবেশ রক্ষায় তার এই নিবেদিতপ্রাণ ভূমিকা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এক অনন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
