শিক্ষা খাতের অবকাঠামোগত উন্নয়নে দৃশ্যমান পরিবর্তন এনে প্রশংসায় ভাসছেন কক্সবাজার শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের (ইইডি) নির্বাহী প্রকৌশলী মৃদুময় চাকমা। যোগদানের পর থেকেই তাঁর গতিশীল নেতৃত্ব, স্বচ্ছতা এবং কাজের প্রতি আন্তরিকতার কারণে জেলার স্কুল, কলেজ ও মাদরাসার ভবন নির্মাণকাজে গতি এসেছে, যা জেলার শিক্ষা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পর্যটন নগরী কক্সবাজার ও এর আশপাশের উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবন জরাজীর্ণ অবস্থায় ছিল। নির্বাহী প্রকৌশলী মৃদুময় চাকমা দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রতিটি প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এবং মানসম্মত উপায়ে সম্পন্ন করার ওপর বিশেষ জোর দেন। অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করে তিনি নিয়মিত মাঠপর্যায়ে কাজের তদারকি করছেন, যার ফলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলোও এখন কাজের মানে অবহেলা করার সুযোগ পাচ্ছে না।
স্থানীয় শিক্ষক, অভিভাবক ও সুধীজনদের মতে, মৃদুময় চাকমার কর্মদক্ষতার কারণে উপকূলীয় ও দুর্গম এলাকার শিক্ষার্থীরাও এখন আধুনিক ও নিরাপদ পরিবেশে পড়াশোনার সুযোগ পাচ্ছে। অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণ, মাল্টিপারপাস হল এবং বিজ্ঞানাগার স্থাপনের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘব হয়েছে।
এ বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী মৃদুময় চাকমা জানান, “শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড। মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে হলে উপযুক্ত অবকাঠামোর বিকল্প নেই। বর্তমান সরকারের শিক্ষা উন্নয়নবান্ধব দৃষ্টিভঙ্গি এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী আমরা কক্সবাজারের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মানসম্মত কাজ উপহার দিতে বদ্ধপরিকর। শিক্ষার্থীদের একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে আমাদের এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।”
আধুনিক স্থাপত্যশৈলী ও টেকসই নির্মাণকাজের মাধ্যমে কক্সবাজারের শিক্ষা খাতের অবকাঠামোকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের মাঝেও নির্বাহী প্রকৌশলী মৃদুময় চাকমার কাজের প্রশংসা ছড়িয়ে পড়েছে।
