সিরাজগঞ্জ জেলা রেজিস্ট্রি অফিসে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনা, দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য রোধ এবং সেবাপ্রত্যাশীদের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘবে প্রশংসনীয় ভূমিকা রেখে চলেছেন জেলা রেজিস্ট্রার শরীফ তোরাফ হোসেন। তাঁর যোগদানের পর থেকেই পুরো জেলার সাব-রেজিস্ট্রি অফিসগুলোতে সেবার মান বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও সেবাগ্রহীতারা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, জমি রেজিস্ট্রি করতে আসা সাধারণ মানুষ অতীতে নানা ধরনের জটিলতা ও হয়রানির শিকার হতেন। এই অবস্থার পরিবর্তন আনতে জেলা রেজিস্ট্রার শরীফ তোরাফ হোসেন জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছেন। তিনি অফিসে দালালদের প্রবেশ কঠোরহস্তে দমন করেছেন এবং প্রতিটি সেবা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে স্বচ্ছতার সাথে সম্পন্ন করার তাগিদ দিয়ে আসছেন। পাশাপাশি, দলিল লেখকদের সাথে নিয়মিত সমন্বয় সভা করে সেবার মান আরও গতিশীল ও জনবান্ধব করতে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করছেন।
সেবাগ্রহীতারা জানান, তাঁর কড়া নজরদারি ও আন্তরিক উদ্যোগের কারণে এখন অতিরিক্ত ফি আদায় বা অযথা কালক্ষেপণের দিন শেষ হয়েছে। সাধারণ মানুষ কোনো ধরনের ভোগান্তি ছাড়াই সাব-রেজিস্ট্রি অফিসগুলোতে স্বাচ্ছন্দ্যে সেবা গ্রহণ করতে পারছেন। এর ফলে সরকারের রাজস্ব আয়ও উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
এ বিষয়ে জেলা রেজিস্ট্রার শরীফ তোরাফ হোসেন বলেন, “জনগণের দোরগোড়ায় সহজ ও হয়রানিমুক্ত সেবা পৌঁছে দেওয়া আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য। সরকারের নিয়মকানুন কঠোরভাবে অনুসরণ করে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার মাধ্যমেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি। সেবাগ্রহীতাদের মুখে হাসি ফোটানোই আমাদের মূল লক্ষ্য।”
সচেতন মহল ও স্থানীয় বুদ্ধিজীবীরা মনে করছেন, শরীফ তোরাফ হোসেনের মতো কর্মনিষ্ঠ ও সততাসম্পন্ন কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করলে সরকারি অফিসের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা আরও সুদৃঢ় হয় এবং সমাজে সুশাসন প্রতিষ্ঠা ত্বরান্বিত হয়।
