ঢাকাশনিবার , 31 অক্টোবর 2026
  1. # লিড নিউজ
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. খুলনা বিভাগ
  8. খেলাধুলা
  9. গণমাধ্যম
  10. চট্টগ্রাম বিভাগ
  11. জাতীয়
  12. ঢাকা
  13. তথ্যপ্রযুক্তি
  14. দেশজুড়ে
  15. ধর্ম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সাংস্কৃতিক কূটনীতির মাধ্যমে বিশ্ব দরবারে দেশের ঐতিহ্য তুলে ধরা হবে: চুয়াডাঙ্গায় সংস্কৃতিমন্ত্রী

বিশেষ প্রতিনিধি; চুয়াডাঙ্গা:
অক্টোবর 31, 2026 8:16 অপরাহ্ন
Link Copied!

27

দেশের হাজার বছরের সমৃদ্ধ ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরতে সাংস্কৃতিক কূটনীতির ওপর বিশেষ জোর দিচ্ছে সরকার। ৫১টি দেশের সঙ্গে এই সাংস্কৃতিক কূটনীতি পরিচালিত হবে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, এমপি। এছাড়া দেশজুড়ে বাউল উৎসব আয়োজনসহ প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলো পুনরুজ্জীবিত করারও ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
​শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুরে চুয়াডাঙ্গা সার্কিট হাউসের সম্মেলন কক্ষে জেলা পরিষদের আয়োজনে স্থানীয় সংস্কৃতিকর্মীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
​চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফের সভাপতিত্বে সভায় মন্ত্রী বলেন, ‘নজরুল বর্ষ ঘোষণার পর থেকেই দেশের শিল্প-সংস্কৃতির প্রসারে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে শিল্প-সংস্কৃতিকে তুলে ধরার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আমাদের সংস্কৃতি হাজার বছরের পুরোনো ও অত্যন্ত সমৃদ্ধ। অন্য দেশের জনগণের কাছে এই ঐতিহ্য তুলে ধরতে আমরা সাংস্কৃতিক কূটনীতিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি।’
​সরকারের সাংস্কৃতিক উদ্যোগের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, এখন থেকে সারা দেশেই নিয়মিত বাউল উৎসবের আয়োজন করা হবে। পাশাপাশি লোকসংগীত, ভাটিয়ালি ও নৌকাবাইচকে মন্ত্রণালয়ের ঐতিহ্যের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া দাড়িয়াবান্দা, হাডুডু, কাবাডি এবং লাঠিখেলার মতো আমাদের প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী খেলাগুলোও নতুন প্রজন্মের সামনে নতুন করে তুলে ধরার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংস্কৃতির বিকাশে প্রধানমন্ত্রীর সীমাহীন অনুপ্রেরণা রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
​স্মারকলিপি পেশ ও সংস্কৃতিকর্মীদের দাবি:
সভায় চুয়াডাঙ্গার স্থানীয় সংস্কৃতিকর্মীরা জেলার সাংস্কৃতিক উন্নয়ন, শিল্প-সংস্কৃতির প্রসার এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের বিকাশে তাঁদের নানা দাবিদাওয়া তুলে ধরেন। স্থানীয় শিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণে তাঁরা সরকারি সহযোগিতা কামনা করেন। আলোচনা শেষে চুয়াডাঙ্গা জেলার সাংস্কৃতিক উন্নয়নে বিভিন্ন দাবি সংবলিত একটি স্মারকলিপি মন্ত্রীর কাছে পেশ করা হয়।
​চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুকুল কুমার মৈত্র ও কালচারাল অফিসার সাইফুল হাসান মিলনসহ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন— জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার, পুলিশ সুপার মেহেদী শাহরিয়ার, জেলা জাসাসের সভাপতি শহীদুল হক বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক সেলিমুল হাবিব সেলিম।
​এ ছাড়া স্থানীয় সাংস্কৃতিক সংগঠন অরিন্দম, উদীচী, সংলাপ, কার্পাসডাংগা নজরুল স্মৃতি সংসদ, আলমডাঙ্গা কলাকেন্দ্রসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং সংস্কৃতিকর্মীরা সভায় অংশ নেন। সভায় জেলার সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিভিন্ন সমস্যা, সম্ভাবনা ও ভবিষ্যৎ উন্নয়নের দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।