সবুজে ঘেরা সুন্দর পরিবেশ গড়ে তোলা এবং বনায়ন রক্ষায় নিবেদিতপ্রাণ হয়ে কাজ করে চলেছেন যশোর সামাজিক বন বিভাগের ডেপুটি রেঞ্জার মিজানুর রহমান। বন বিভাগের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ, সামাজিক বনায়ন সম্প্রসারণ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে তাঁর গতিশীল ভূমিকা স্থানীয় মহলে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, যশোরে যোগদানের পর থেকেই তিনি বনের জমি অবৈধ দখলমুক্ত করা এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষায় কঠোর ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। কেবল দাপ্তরিক কাজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে তিনি মাঠপর্যায়ে নিয়মিত তদারকি করেন। বিশেষ করে জেলার বিভিন্ন স্থানে নতুন চারা রোপণ, গ্রামীণ জনপদে ফলজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ এবং পরিবেশ সুরক্ষায় সাধারণ মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে তিনি বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন।
স্থানীয়রা জানান, ডেপুটি রেঞ্জার মিজানুর রহমানের আন্তরিকতা ও কর্মতৎপরতার কারণে অনেক এলাকায় সামাজিক বনায়ন আরও সুদৃঢ় হয়েছে। বনের গাছ কাটা ও অবৈধ পাচার রোধে তাঁর কঠোর নজরদারি বন বিভাগের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে। এছাড়া, পরিবেশ রক্ষায় তরুণ প্রজন্মকে উৎসাহিত করতে তিনি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও যুব সংগঠনের সাথে কাজ করছেন।
এ বিষয়ে মিজানুর রহমান জানান, “প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষা করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ও বন বিভাগের সঠিক দিকনির্দেশনায় যশোরের সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষায় আমরা সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করে যাচ্ছি। সাধারণ মানুষের সহযোগিতা পেলে এ অঞ্চলের পরিবেশ আরও সমৃদ্ধ করা সম্ভব।”
পরিবেশবাদী ও সচেতন মহল মনে করছেন, মিজানুর রহমানের মতো নিবেদিতপ্রাণ সরকারি কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালনে এমন সততা ও আন্তরিকতা বজায় রাখলে দেশের বনায়ন খাত আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে এবং আগামী প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য সুন্দর পৃথিবী নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
