পাহাড়ের সবুজ অরণ্য রক্ষা, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ এবং অবৈধ দখল ও কাঠ পাচার রোধে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন খাগড়াছড়ি বন বিভাগের অধীন মাটিরাঙ্গা রেঞ্জ অফিসের রেঞ্জ কর্মকর্তা কিশোরগঞ্জ জেলার কৃতি সন্তান একজন প্রকৃত দেশপ্রেমিক, কারার মাহবুব হোসেন। যোগদানের পর থেকেই তাঁর গতিশীল নেতৃত্ব, পেশাদারিত্ব এবং জনবান্ধব কার্যক্রমে মাটিরাঙ্গা অঞ্চলে বন সুরক্ষায় এক ইতিবাচক পরিবর্তন সূচিত হয়েছে।
বন ও পরিবেশ রক্ষায় জিরো টলারেন্স নীতি
মাটিরাঙ্গা পাহাড়ি অঞ্চলে একসময় অবৈধভাবে গাছ কাটা এবং বনভূমি জবরদখলের কিছু প্রবণতা থাকলেও জনাব কারার মাহবুব হোসেন দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই এ বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। নিয়মিত টহল জোরদার এবং স্থানীয়দের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির ফলে বনের মূল্যবান সম্পদ রক্ষা অনেক সহজ হয়েছে। পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় তাঁর এই আপসহীন ভূমিকা স্থানীয় সচেতন মহলের প্রশংসা কুড়িয়েছে।
জনবান্ধব ও দুর্নীতিমুক্ত সেবা
সাধারণ মানুষ ও বননির্ভর প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে কাজ করা তাঁর কর্মশৈলীর অন্যতম বড় বৈশিষ্ট্য। রেঞ্জ অফিসে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ যেন কোনো ধরনের ভোগান্তির শিকার না হন, সেদিকে তাঁর রয়েছে কড়া নজর। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করায় মাটিরাঙ্গা রেঞ্জ অফিস এখন জনবান্ধব সেবার রোল মডেলে পরিণত হয়েছে।
স্থানীয় জনসাধারণের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি
বন সংরক্ষণে কেবল প্রশাসনিক কড়াকড়ি নয়, বরং স্থানীয় জনসমাজকে সম্পৃক্ত করার ওপর জোর দিয়েছেন এই কর্মকর্তা। পাহাড়ের জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের ক্ষতিকর দিকগুলো তুলে ধরে তিনি বিভিন্ন সময়ে স্থানীয় জনসাধারণের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন। এর ফলে সাধারণ মানুষ এখন বনাঞ্চল রক্ষায় বন বিভাগকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে তথ্য দিয়ে সহায়তা করছে।
পাহাড়ে সবুজায়নের নতুন দিগন্ত
শুধু বিদ্যমান বন রক্ষাই নয়, বনায়ন কার্যক্রমকে আরও বেগবান করতে তিনি বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। তাঁর তত্ত্বাবধানে মাটিরাঙ্গা রেঞ্জ এলাকায় নতুন চারা রোপণ ও পরিচর্যার কাজ সঠিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে এলাকার পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
স্থানীয় বিশিষ্টজনদের মতে, জনাব কারার মাহবুব হোসেনের মতো কর্মনিষ্ঠ, সৎ ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তা থাকলে পাহাড়ি অঞ্চলের বনজ সম্পদ ও প্রাকৃতিক পরিবেশ সুরক্ষিত থাকবে এবং সরকারের লক্ষ্য বাস্তবায়িত হবে। তাঁর এই দায়িত্বশীল ও আন্তরিক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকুক—এটাই সকলের প্রত্যাশা।
