মৌলভীবাজারে ছাত্র আন্দোলনের মামলায় স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা গ্রেপ্তার
মৌলভীবাজার সদর উপজেলার শেরপুর এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৬ জুন) রাত সাড়ে ১২টার দিকে শেরপুর মাছের আড়ত এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়া মিজানুর রহমান (৪৩) মৌলভীবাজার সদর উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের সহ-সভাপতি। তিনি সদর উপজেলার হামরকোনা গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম আনসার উদ্দিন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মিজানুর রহমানসহ কয়েকজন ব্যক্তি কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর পোস্টারিং কার্যক্রম পরিচালনা করে সেগুলো বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচার করছিলেন বলে তথ্য পাওয়া যায়। একপর্যায়ে খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান চালালে অন্যরা পালিয়ে গেলেও মিজানুর রহমানকে আটক করা হয়। তবে...
30
মৌলভীবাজার সদর উপজেলার শেরপুর এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৬ জুন) রাত সাড়ে ১২টার দিকে শেরপুর মাছের আড়ত এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া মিজানুর রহমান (৪৩) মৌলভীবাজার সদর উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের সহ-সভাপতি। তিনি সদর উপজেলার হামরকোনা গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম আনসার উদ্দিন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মিজানুর রহমানসহ কয়েকজন ব্যক্তি কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর পোস্টারিং কার্যক্রম পরিচালনা করে সেগুলো বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচার করছিলেন বলে তথ্য পাওয়া যায়। একপর্যায়ে খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান চালালে অন্যরা পালিয়ে গেলেও মিজানুর রহমানকে আটক করা হয়।
তবে তাঁকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই ও ৪ আগস্ট শেরপুর এলাকায় ছাত্রদের দুটি শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে হামলার অভিযোগে মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, হামলার সময় দেশীয় অস্ত্র, লোহার রড, জিআই পাইপ, কাঠের রোল ও ককটেল ব্যবহার করে ছাত্র-ছাত্রীদের ওপর হামলা চালানো হয়, এতে কয়েকজন আহত হন।
এ ঘটনায় মৌলভীবাজার সদর মডেল থানায় ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক হিসেবে আজাদ বখত উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের উচ্চ মাধ্যমিকের ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী খায়রুল আলম সবুজ বাদী হয়ে ১টি মামলা দায়ের করেন।
পুলিশের দাবি, প্রাথমিক তদন্তে মামলার ঘটনায় মিজানুর রহমানের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য ও স্থানীয়দের বক্তব্য অনুযায়ী, ঘটনার সময় তিনি অন্য আসামিদের সঙ্গে ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে হামলায় অংশ নিয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শিপু কুমার দাস গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাঁকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
