চুয়াডাঙ্গায় এক সপ্তাহ ধরে চলছে দাবদাহ দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম এই জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে মৃদু তাপপ্রবাহ। তাপমাত্রা কিছুটা ওঠানামা করলেও ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন। তাপমাত্রার সঙ্গে বাতাসের আর্দ্রতা বেশি থাকায় গরমের অনুভূতি আরও তীব্র হচ্ছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। আজ মঙ্গলবার (২ জুন) বেলা ৩টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই সময়ে বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৫১ শতাংশ।
চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার সূত্রে জানা গেছে, গত ১ জুন বেলা ৩টায় জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই সময়ে বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৪৬ শতাংশ। এর আগে দুপুর ১২টায় তাপমাত্রা ছিল ৩৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং আর্দ্রতা ছিল ৪৭ শতাংশ।
তীব্র গরমে জনজীবনে নেমে এসেছে স্থবিরতা। দুপুরের পর রাস্তাঘাট ফাঁকা হয়ে পড়ছে। রোদে বের হলেই মনে হচ্ছে শরীর পুড়ে যাচ্ছে বলে জানান দর্শনার পৌর শহরের ব্যবসায়ী
মাহবুব- উল ইসলাম খোকন তিনি বলেন, এই গরমে যেন নিঃশ্বাসও নিতে কষ্ট হয়। ভ্যাপসা গরমে শরীর জলে যাচ্ছে।
আজ দুপুর ১২টায় চুয়াডাঙ্গার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৫ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সে সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৫৪ শতাংশ। একদিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা সামান্য কমলেও ভ্যাপসা গরমে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে।
তাপমাত্রা ও আর্দ্রতার প্রভাবে গরমের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ। দুপুরের দিকে প্রয়োজন ছাড়া অনেকেই ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না। শহরের বিভিন্ন স্থানে ঠান্ডা পানীয়, শরবত ও ডাবের চাহিদাও বেড়েছে।
চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ইনচার্জ জামিনুর রহমান জানান, আগামী কয়েকদিন জেলার তাপমাত্রা সামান্য ওঠানামা করতে পারে। তবে ভ্যাপসা গরমের এই অস্বস্তিকর পরিস্থিতি আরও কিছুদিন অব্যাহত থাকার আশঙ্কা রয়েছে।
