1. admin@crimenews24.net : cn24 :
  2. zpsakib@gmail.com : cnews24 :
শুক্রবার, ০২ জুন ২০২৩, ০৪:৪৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
জেলা শিল্পকলা একাডেমি সম্মাননা পদক ২০১৮, ২০১৯, ২০২০, ২০২১ অনুষ্ঠিত অনৈতিক কাজের সময় প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হাতেনাতে আটক, জনতার গণধোলাই! মধুর চরে কূখ্যাত ভূমিদস্যূ সিরা সরদারের নির্মম নির্যাতনের শিকার বিধবা মহিলা বিশ্ব দুগ্ধ দিবস উপলক্ষে মৌলভীবাজারে  বর্ণাঢ্য র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত  চুয়াডাঙ্গায়  ডিআইজি এবং অ্যাডিশনাল ডিআইজির আগমন কার্পাসডাঙ্গা ক্যাম্প পুলিশের  মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে ১০০ বোতল ফেনসিডিলসহ আটক-২   কার্পাসডাঙ্গা ক্যাম্প পুলিশ কর্তৃক মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ আটক -২ দামুড়হুদা সার্কেল অফিস আকস্মিক পরিদর্শন করেন পুলিশ সুপার রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের অভিযানে আটক-৩৫ শায়খুল হাদীস মুহিব্বুল হক গাছবাড়ি ছিলেন ঐক্যের মূর্ত প্রতীক: আতাউর রহমান কোম্পানিগঞ্জী

রমজানে সলপের ঘোলের চাহিদা সারাদেশে

সেলিম রেজা সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৩০ মার্চ, ২০২৩
  • ৩২ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় ঐতিহ্যবাহী সুস্বাদু পানীয় খ্যাতি পেয়েছে ‘সলপের ঘোল। প্রতিদিন ভোরে গ্রামের খামারিদের কাছ থেকে সংগৃহীত গরুর দুধ তিন থেকে চার ঘণ্টা জ্বাল দেওয়া হয়। নির্দিষ্ট সময় জ্বাল দেওয়ার পর পাত্রে করে রেখে দেওয়া হয় রাত ভর সেই দুধ। সকালে জমে থাকা সেই দুধের সঙ্গে চিনি ও অন্য উপকরণ মিশিয়ে তৈরি করা হয় এই সুস্বাদু ঘোল ।
এ ঘোলের সুনাম শুধু সিরাজগঞ্জে নয়,দূরদূরন্তে  ছড়িয়ে আছে সলপের ঘোলের সুনাম,এমনকি ছড়িয়ে পড়েছে সমগ্র বাংলাদেশে।
স্থানীয়রা বলেন,  সলপের ঘোল তৈরির পেছনে আছে ১শ’ বছরের ঐতিহ্য। ইতিমধ্যে গরম ও রোজায় এই ঘোলের চাহিদা ব্যাপক হাড়ে বেড়ে যাওয়ায়। দিনরাত কাজ করে চলেছেন ঘোল তৈরী কারীগররা। বিভিন্ন এলাকার পাইকারি ও খুচরা ক্রেতারা এই ঘোল কিনতে ভিড় করছেন উপজেলার সলপ রেলস্টেশনে।
বৃহস্পতিবার (৩০মার্চ) উল্লাপাড়া উপজেলার সলপ রেলস্টেশন এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, স্টেশনের পাশে ঘোলের দোকানগুলো জমে উঠেছে রমরমা। দোকানের সামনে মাটির পাত্রে পসরা সাজিয়ে চলছে বিক্রি। দোকানের পেছনে ঘোল তৈরীতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কারীগররা অনেকেই দূরদূরান্তে থেকে এই ঘোলের জন্য এখানে এসেছেন। আবার দোকানে অনেকে বসে ঘোলের স্বাদ নিচ্ছেন।
ঘোল বিক্রেতা  আব্দুল রাজ্জাক ও খালেক বলেন, প্রতিদিন এই এলাকায় ২০০ থেকে ২৫০ মণ ঘোল ও মাঠা বিক্রি হয়। প্রতি লিটার ঘোল পাইকারী ৬০ টাকা, মাঠা ৮০ এবং খুচরা প্রতিলিটার ঘোল ৮০টাকা,মাঠা ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
পাবনার বাঙ্গুড়া থেকে ঘোল কিনতে আসা আশিকুর রহমান বলেন, আমি প্রতি রোমজান মাসে এই সলপ থেকে প্রতিদিন ৮০থেকে ১০০ লিটার ঘোল ও মাঠা আমর এলাকায় বিক্রির জন্য নিয়ে যাই। এই রোমজান মাসে ঘোল ও মাঠার বেশ চাহিদা রয়েছে।’
তাড়াশ উপজেলার হামকুড়িয়া থেকে ঘোল কিনতে আসা হাফিজুর রহমান বলেন, সলপের ঘোলের সাদ অতুলনীয়। প্রায়ই আমি ঘোল কিনতে আসি। ঘোলের মান অনুযায়ী দাম খুব একটা বেশি না। রমজানে ইফতারের সময় এই ঘোলে অনেকটা প্রশান্তি পাওয়া যায়,তাই চলে আসছি সকাল সকাল ঘোল কিনতে।,
ঘোল উৎপাদনকারী আবদুল মালেক খান জানান, এই ব্যবসার সঙ্গে এখন অনেক মানুষ জড়িত। ঘোলের জন্য বিভিন্ন এলাকায়া থেকে পাইকার  আসছেন। এখান থেকে ঘোল পাইকারি দরে কিনে নিয়ে ব্যাবসা করে সমৃদ্ধ হচ্ছেন। এ বছর এই সলপের ঘোল ১০১ বছর পূর্ণ করবে বলেও তিনি জানান।
এই ঘোলের ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে প্রতিবছর বৈশাখ মাসের প্রথম শুক্রবারে উপজেলার সলপে ঘোল উৎসবের আয়োজন করা হয়।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর ....
© All rights reserved © 2022 crimenews24.net
Design & Developed By : Anamul Rasel